» সর্বশেষ আপডেট: জানুয়ারি ২০০৯
» দিন-তারিখ ক্রমানুসারে সাজানো - পুরান থেকে সাম্প্রতিক
» অপ্রকাশিত মন্তব্য লেখক/লেখিকার অনুমতি নিয়ে প্রকাশিত
নিজস্ব প্রতিবেদক, ২৬ জানুয়ারি ২০০৮
"নতুনের স্রোতে একুশের বইমেলা", দৈনিক ইত্তেফাক
রিপোর্ট আর অনলাইনে নেই। আগেই সেভ করে রাখা দরকার ছিলো!
নিজস্ব প্রতিবেদক, ৩১ জানুয়ারি ২০০৮
"তরুণ লেখকদের বই", দৈনিক যায়যায়দিন, আর্ট অ্যান্ড কালচার
রিপোর্ট আর অনলাইনে নেই। আগেই সেভ করে রাখা দরকার ছিলো!
মাহবুব লীলেন
মন্তব্য: সচলায়তন, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০০৮
"...সাধারণত উপন্যাসে আমি ঘটনা পড়ি। আর ফুল-পাখি-লতা পাতা জাতীয় প্রকৃতি বর্ণনা ছেড়ে যাই
কিন্তু অমিতের বইয়ে এখনও একটা লাইনও ছেড়ে যেতে পারলাম না
দুর্দান্ত সাবলীল গদ্য- প্রকাশভঙ্গি আর গল্প বলার কৌশল
আমরা একজন ভালো উপন্যাসিক পেয়েছি অথবা পাচ্ছি
অভিনন্দন অমিত”...
“কাল রাতে পুরোটাই শেষ করে ফেললাম
প্রাণশক্তি চোখে দেখা যায় কোথাও কোথাও
কিন্তু লিখে প্রাণশক্তি ব্যাখ্যা করতে গেলেই বাধে ঝামেলা
আপনার পুরো বইয়ে চরিত্রগুলোর প্রাণশক্তি দেখে মনে হচ্ছিল পড়ছি না দেখছি চোখের সামনে
দুর্দান্ত বর্ণনা আর চরিত্র
তবে সবচেয়ে অবহেলায় (কিছুটা ঘৃণা?) যাকে তৈরি করেছেন সেই নওরীনকে মিস করেছি শেষ পর্যন্ত
আমার হিসেবে গন্দম'এর বেস্ট চিরত্র এই অবহেলিত আর হাসির পাত্রী নওরীন
"নিজের ভালো লাগাকে কাউকে না জানিয়ে নিজেই যাপন করেছি
আর নিজেই বলেছি-শেষ"
এরকম দুর্দান্ত চরিত্র আপনার বইয়ে আর একটাও নেই
বারবার মনে হচ্ছিল হয়তো নওরীন আবার আসবে
কিন্তু আপনি তাকে আর আসতে দিলেন না
তাই তাই আপনার গন্দম সমাজের উঠানের কোনায় অবহেলায় পড়ে থাকা নওরীনকে আমি নিয়ে গেলাম
(এই নেয়াটা আপনার সম্মতি সাপেক্ষ নয়। যেহেতু আপনি নওরীনের আইনগত পিতা তাই আমার সিদ্ধান্ত আপনাকে জানানো হলো)...আপনার স্থান- ঘটনা আর চরিত্র বর্ণনা
দুর্দান্ত
অভিনন্দন কথাশিল্পী অমিত আহমেদ"
নিজস্ব প্রতিবেদক
"মোড়ক উন্মোচন", বিএসবি বইমেলা প্রতিদিন, আর্ট অ্যাড কালচার, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০০৮
রিপোর্ট আর অনলাইনে নেই। সেভ করে রাখা দরকার ছিলো!
নিজস্ব প্রতিবেদক
"মেলা আবার লোকারণ্য", দৈনিক যুগান্তর, শেষের পাতা, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০০৮
রিপোর্ট আর অনলাইনে নেই। আগেই সেভ করে রাখা দরকার ছিলো!
বকলম
মন্তব্য: সামহোয়্যার ইন, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০০৮
"...এক ভবিষ্যৎ জনপ্রিয় লেখকের প্রথম পদচিহ্ন, প্রথম বই। আমি দিব্যচোখে এক জনপ্রিয় লেখককে দেখতে পাচ্ছি, বলা যায় অদূর ভবিষ্যতের আনিসুল হক। লেখকের নিজস্ব স্বকীয়তা আছে। অন্য লেখকের নাম জনপ্রিয়তা বোঝাতে ব্যবাহার করলাম..."
ইমরান কবির হিমেল
গন্দম ফেসবুক গ্রুপ, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০০৮
"I was fascinated by Gondom!!! And straight from the beginning, I found myself deep into the characters and the story progression... I found myself wondering, lost, found, ecstatic, hysteric, tensed, nervous and God knows what else while I went on reading with a wild but childish curiosity! How it related to our very own life and ‘community’... you know what I mean ;)... got me gripped to the fiction which also is a reflection to our vivid reality! অনেক কথা বলে ফেলেছি, ‘cause, I was (and still am) overwhelmed by how Gondom turned out to be... its simply mind blowing and it makes me feel so great to know that this is work of a dear friend!"
হিমু
বেতারায়তন: অমিত আহমেদের সাক্ষাৎকার, সচলায়তন, ১২ ফেব্রুয়ারি ২০০৮
"বেতারায়তনের কাসল স্টুডিও থেকে এখন আমরা সরাসরি যোগাযোগ করছি ঢাকায়, কথা হবে নবীন ঔপন্যাসিক অমিত আহমেদের সাথে... অমিত শুরুতেই জানিয়ে রাখছি যা আমি জানতে চাইবো না তা হচ্ছে আপনার অনুভূতির কথা..."
|
শিবলী সাদিক শোয়েব
গন্দম ফেসবুক গ্রুপ, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০০৮
"...অমিত এর লেখাটা একদম অন্যরকম... ওর স্টাইল, ভাষা, গঠন সব খুব রিয়েলিস্টিক আর লজিকাল। ‘গন্দম’ বইটা সিম্পলি একটা ইন্ডিকেশন সে সামনের দিনগুলি নতুন লেখকদের মধ্যে কে বা কারা ডমিনেট করবে... এই প্রতিভাটা ধরে রাখতে হবে অমিত আহমেদ... এই কামনায়..."
থার্ড আই
একুশ মেলায় সচলের কলম সৈনিকেরা, সচলায়তন, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০০৮
"...১০ ফেব্রয়ারী মোড়ক উন্মোচনের মধ্য দিয়ে মেলায় আনুষ্ঠানিক অটোগ্রাফ দেয়া শুরু করেন অমিত আহমেদ। "গন্দম" উপন্যাসটি প্রকাশ করেছে জাগৃতি প্রকাশনী। কমিশন বাদ দিলে বইয়ের মূল্য ১০১ টাকা । বই প্রকাশ ও আটোগ্রাফ দিয়েই ক্ষ্যান্ত নন অমিত, ইতিমধ্যে তিনি চ্যানেল আই ও বেতারায়তনে ইন্টারভিউ দিয়ে নিজের অনুভূতিও প্রকাশ করেছেন।"
পার্লামেন্ট
বইমেলায় শ্রাবন্তি, সামহোয়্যার ইন, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০০৮
"...এবারের বই মেলায় অমিতের বই
কিনতে স্টলের সামনে থেকে নড়ো নাই।
যদিও কোনো বই কোনদিনও পড়ো নাই।
সুন্দর ছেলে দেখে তোমার সেই দাত বাকানো হাসি,
মোহময় দেখে অমিতের সে কী হাসাহাসি।
তুমি বানান করে করে পড়ে ফেলো বইয়ের নাম,
গন্দম মানে কি? জিগাও।
আমি কই, তা দিয়ে তোমার কাম?
..."
মুকুল
বইমেলায় একদিন, সামহোয়্যার ইন, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০০৮
"...অমিত আহমেদ। খুবই কিউট চেহারা। :) দুইজনের কাছ থেইকাই অটোগ্রাফ নিলাম। টুকটাক কথা চলতেছিলো। অমিত ভাইয়ের আসল নাম সাব্বির। কিভাবে বাংলা লেখার জগতে ছদ্মনাম নিলেন, সেই কাহিনী ব্যাখ্যা করলেন।"
মাহফুজুর রহমান
২১ ফেব্রুয়ারি ২০০৮
"...just now I have finished reading your book titled "Gondom". I have been amazed seeing your skill in the transitions. I am looking for more works from you."
শেখ জলিল
ব্লগারদের বই নিয়ে ব্লগব্লগর-১, সামহোয়্যার ইন, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০০৮
"...লেখক কানাডা প্রবাসী অমিত আহমেদ। তারুণ্যের উচ্ছাসে ভরা সুদর্শন লেখক। লিখেছেনও বেশ আধুনিক জীবনের যন্ত্রণার কাহিনী। তাঁর উপন্যাসের নাম 'গন্দম'- নিষিদ্ধ সময়ের টান, যাপিত জীবন। বিশেষ করে গুলশান, বনানী ও ধানমন্ডির উচ্চবিত্ত শ্রেনীর প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি পড়ুয়া ছেলেমেয়েদের জীবন, তাদের চাকরি, আড্ডা, জীবনযাপনের খুঁটিনাটি বেশ সাবলীলভাবে তুলে ধরেছেন। বলতে হয়- লেখকের দেখার চোখ আছে, যা অনেক দামী লেখকেরও নেই। যেভাবে তিনি গড়েছেন রাজীব-তৃণা- ঋতু-দীপক, সজীব-ইশিতা, রানা-নিপূণ-তমাল-নওরীন চরিত্রগুলো ভাবতে অবাক লাগে এটাই যে তার প্রথম উপন্যাস! মোদ্দাকথা একটা পরিপূর্ণ উপন্যাসের সবকিছুই আছে 'গন্দম' বইটিতে। কাহিনীর বিন্যাস ও ডায়লগগুলোও দারুণ। তবে রাজীব-ঋতুর প্রেমটা আরও বাস্তবসম্মতভাবে উপস্থাপন করা যেতো। যার জন্য রাজীব চরিত্রটির প্রতি মেয়েঘেঁষা, ফুলে ফুলে ঘুরে বেড়ানোর অপবাদটা এসেই যায়। মনে প্রশ্ন জাগে- এতা অল্প সময়েই এতো গভীর প্রেম? যার জন্য রাজীব প্লেনে ওঠার আগেও প্রতিশ্রুতি দেয়- সে ঋতুর কাছে ফিরে আসবেই! সে কী প্রেম না অন্য কিছু? সবশেষে তরুণ লেখক যেভাবে 'গন্দম' উপন্যাসে কোলকাতার ক্রিকেট, নন্দীগ্রাম, বাংলাদেশের এনজিও, ড. ইউনুস ও নোবেল বিষয়ক কথা এনেছেন তাতে বোর লাগেনি কখনো। আর মূলকাহিনীও বেশ পরিণতির দিকেই নিয়ে যেতে পেরেছেন। এখানেই অমিত আহমেদ-এর সার্থকতা।"
আনোয়ার সাদাত শিমুল
গন্দম: নিষিদ্ধ মোহের অনিশ্চিত হাতছানি, সচলায়তন, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০০৮
"...অমিত আহমেদের গদ্যরীতি ইতোমধ্যে পাঠকের (বিশেষ করে ব্লগে) প্রশংসা কুড়িয়েছে। 'গন্দম' রচনায় মানসিক প্রস্তুতি এবং পাঠকের ধৈর্য্য নিয়ে লেখক যথেষ্ট সচেতন ছিলেন। কোন জায়গায় থামাতে হবে, কোথায় পাঠককে অপেক্ষা করাতে হবে, কখন কারণ দর্শাতে হবে; এসবে মুন্সিয়ানা ছিল ব্যাপক। সময়কে ধরার কাজটি অমিত করে গেছেন সুচারুভাবে। আমাদের শহরের রাজীব শেষ পর্যন্ত কোলকাতায় আবার যাবে কিনা, তৃণার মানসিক পরিবর্তন স্থায়ী কিনা এসব প্রশ্নের উত্তর হয়তো আমাদের চেনাজানা জগতেই পেয়ে যাবো। তবে গন্দম পাঠক হিসেবে কখনো কোলকাতায় গেলে ঋতু সেনকে খুঁজে বেড়াবো অচেনা রাস্তায়, মানুষের ভীড়ে। কারণ, পাঠের পর মনে হয় - এখানে সেখানে আমিও ছিলাম, আছি, অথবা থাকার কথা ছিল। কীভাবে কীভাবে যেনো অমিত আহমেদ সেটা জেনে গেছেন!"
চৌধুরী মোস্তফা কামাল
"শিক্ষার্থীদের লেখা যত বই", দৈনিক যুগান্তর, যুগান্তর ক্যাম্পাস, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০০৮
রিপোর্ট আর অনলাইনে নেই। আগেই সেভ করে রাখা দরকার ছিলো!
এরিক বিডি
গন্দম ফেসবুক গ্রুপ, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০০৮
"...প্রথম পৃষ্ঠা থেকেই আটকে গেলাম, এত সুন্দর একটা শুরু, সেই যে আটকে গেলাম শেষ পাতা পর্যন্ত একটানে শেষ করলাম বইটা। একটু ভয় ছিলো যে রকম সুন্দর রকম একটা বই এর শুরু সেভাবে শেষ হবে তো? বইটা শেষ করলাম তখন এই ভয়টা কেটে গেছে, ছিলো শুধু মুগ্ধতা, বন্ধুর জন্য গর্ব আর খুব সুন্দর একটা বই পড়ার সন্তুষ্টি। অনেক অনেক ধন্যবাদ লেখককে এত সুন্দর একটা বই লেখার জন্য। তবে সব চেয়ে সুন্দর লেগেছে দুই বাংলা এক করে লেখার আইডিয়াটা, যা তথ্য দেয়া হয়েছে পুরো বইতে, বোঝাই যায় যে তা অত্যন্ত যত্নে আর সতর্কতার সাথে যাচাই করা। লেখকের এই প্রয়াসকে আমি অত্যন্ত সাধুবাদ দেই। জয় হোক অমিতের, ওর লেখনী অব্যাহত থাকুক আরো নতুন সৃষ্টিতে। অনেক অনেক ধন্যবাদ আর অপেক্ষায় রইলাম পরবর্তি লেখার জন্য।"
হিমু
গোয়েন্দা ঝাকানাকা ও বইমেলা রহস্য, সচলায়তন, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০০৮
"...চলতে চলতে একটা স্টলের সামনে এসে দাঁড়িয়ে গেলেন ঝাকানাকা। স্টলের ভেতর এক সুদর্শন তরুণ লেখক ঘ্যাঁচঘ্যাঁচ করে বইয়ে সই করছেন।
ঝাকানাকা বললেন, 'এ ছোকরাকে তো লেখক পাড়ায় আগে দেখিনি কখনো! দেখুন তো ভালো করে, বদরুর মতো মনে হয় কি না?'
কিংকু চৌধারি বললেন, 'না স্যার, ইনি নবীন ঔপন্যাসিক অমিত আহমেদ, এবারই প্রথম উপন্যাস বেরিয়েছে, গন্দম!'
ঝাকানাকা বললেন, 'অ্যাক্ট ন্যাচারালি। যান, ওর একটা বই কিনে সই নিয়ে আসুন।'
কিংকু চৌধারি যথাসম্ভব লীলালাস্যে এগিয়ে গিয়ে একটা বই কিনে বাড়িয়ে ধরলেন অমিত আহমেদের দিকে। 'অটোগ্রাফ প্লিজ!'
ছয়ফুট লম্বা 'ফকিরুন্নেসা নুনের ছাত্রী'র বাজখাঁই এই অনুরোধ শুনে অমিত আহমেদ ঘাবড়ে গেলেন, কাঁপা কাঁপা হাতে বইটা নিয়ে বললেন, 'কী নাম লিখবো?'
কিংকু চৌধারি বললেন, 'ইয়ে, লিখুন, মিলির জন্যে!'
অমিত আহমেদ সই করে দিলেন..."
মাসকাওয়াথ আহসান
লেখালেখিতে নবীন প্রতিভা: ইন্টারনেট থেকে একুশের বইমেলা, দৈনিক যুগান্তর, ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০০৮
"...ঢাকা কলকাতার প্রেমের সুতো বাঁধার মুন্সীয়ানাতে অ্যাফলুয়েন্ট সোসাইটির ফাঁপা জীবন সমসাময়িক সামাজিক রাজনৈতিক বার্তার সাহজিক উপস্থাপন বাধাগ্রস্থ হয়নি। সুখপাঠ্য এই উপন্যাস আগামীতেও অমিতের অনায়াস সাহিত্যযাত্রার ইঙ্গিত দিয়েছে।"
মুনতাসীর হাসান অয়ন
৪ মার্চ ২০০৮
"...ভাল্লাগলো। কিছু অংশ মনে হয়েছে আরো বড় করা যেত, যেমন- নওরীন আর রানার ব্যাপারটা। আর একদম শেষ অংশটা ভালো লাগেনি। মনে হয়েছে প্রকাশক কর্তৃক ধার্যকৃত উপন্যাসের আকারের মধ্যে রাখার একটা চেষ্টা করা হয়েছে। আর উপন্যাসের নন-লিনিয়ার স্ট্রাকচারটা ভালো লেগেছে। বাংলায় এই স্ট্রাকচারে মনে হয় খুব বেশী বই লেখা হয়নি।"
হুমায়ূন রেজা
ফেসবুক, ৪ মার্চ ২০০৮
"...খুব ভালো উপন্যাস কিছু ভুল বাদে! বিশেষ করে আমি ঋতুর কথা বলছি। খামাখাই নারীটাকে কষ্ট দিলে। না দিলেও চলতো ছেলে! I am proud of you..."
আসিফ আসিফ
গন্দম ফেসবুক গ্রুপ, ১২ মার্চ ২০০৮
"আমি একটু আগে বইটা পড়ে শেষ করলাম, তাই ইমপ্রেশনটা এখনো তাজা। দারুন লেগেছে পুরো বইটুকু পড়ে, বিশেষ করে ফিনিশিংটা খুব ভালো লেগেছে... আপনার আরো লেখা দেখতে চাই।"
আহমেদুর রশীদ
মন্তব্য: অন্তর্জালে 'গন্দম' গোয়ার্তুমির ব্লগস্পট লিংক, সচলায়তন, ১২ মার্চ, ২০০৮
"উপন্যাসটা আমি দুই নি:শ্বাসে পড়েছি। সাধারণ মানুষ থেকে দূরের ঘটনাগুলোর বর্ননা অসাধারণ। তবে আমি অমিতকে অনুরোধ করবো উপন্যাসটা রিরাইট করতে। আমার মনে হচ্ছে এতে উপন্যাসের সাহিত্যমানের ঘাটতিটুকু পূর্ণতা পাবে। ব্রাভো অমিত।"
রাদিয়া নূর
১৯ মার্চ ২০০৮
"...কেবলই 'গন্দম' পড়ে শেষ করলাম। খুবই আনন্দদায়ক ছিল। বইয়ের চরিত্রগুলো খুব আত্মবিশ্বাসী, কিংবা বলা যায় তাদের মানসিক শক্তি দারুন। তারা সিগারেট, প্রেমিকা, মূল্যবোধ, ব্যক্তিত্ব, বন্ধুত্ব সব এক তুড়িতে ছেড়ে দেয়। সবগুলো চরিত্রই একরোঁখা ধরণের। এটা 'গন্দম'কে আরো বেশি উত্তেজক করে তুলেছে বটে তবে সেই সাথে কঠিন বাস্তবতাকেও দূরে ঠেলে দিয়েছে..."
সন্ধ্যাবাতি
অমিত আহমেদের 'গন্দম' পড়ে ব্লগীয় রিভিউ, সামহোয়্যার ইন, ২৯ মার্চ ২০০৮
"...বইটা লিখা হয়েছে বাংলাদেশের উচ্চবিত্তদের নতুন প্রজন্মের তরুণ তরুণীদের নিয়ে। বাংলাদেশে যাঁরা বাংলা বই লিখেন আর আমরা যারা বাংলা বই পড়ি, তারা প্রায়ে সবাই-ই মধ্যবিত (অন্তত: লেখা শুরু করার সময় কেউ উচ্চবিত্তের ছিলেন বলে আমার মনে পড়ছে না!)। সেই মধ্যবিত্ত লেথকেরা এক ধরণের হীনমন্যতা কিংবা ঔদ্ধত্য নিয়ে লিখে যান উচ্চবিত্ত শ্রেনী নিয়ে, ভিন্ন জাতের মানুষদের নিয়ে, তীব্র মমতা পাওয়া যায় না লাইনের ফাঁকে ফাঁকে। পাঠকের মনেও তাই মমতা আসে না, সহানুভূতি আসে না। পাঠক ওদের সাথে নিজের জীবন কখনই মেলাতে পারে না, লেখক নিজে ওই জীবন বুঝে লিখে নি, পাঠক কি করে মেলাবে? চরিত্রগুলো তাই বড় দূরের থেকে যায়, কাঁচের ওপাশে, ধরা ছোঁয়ার বাইরে। অমিত আহমেদের লেখায় সেই ভাবটা ছিল না, প্রচন্ড সাবলীলতা, আন্তরিকতা আর আত্মবিশ্বাস নিয়ে তিনি লিখে গিয়েছেন ওই প্রজন্মের কথা... লেখক আমাদের মিথ্যা পৃথিবী দেখাতে চান নি। লেখক আমাদের, পাঠকদের বুদ্ধিমত্তাকে শ্রদ্ধা করেছেন। পাঠকদের নিজের লেভেলে বসিয়ে কথা বলেছেন, বাচ্চাদের মত সরলীকরন করে দেননি কিছু..."
সামী মিয়াদাদ
মন্তব্য: অমিত আহমেদের 'গন্দম' পড়ে ব্লগীয় রিভিউ, সামহোয়্যার ইন, ২৯ মার্চ ২০০৮
"গন্দম পড়ার সময় মনে হচ্ছিলো আমিও হয়তো গন্দম খেয়ে কোন অতলে তলিয়ে যাচ্ছি...পাঠককে আষ্টেপৃষ্টে বেধে রাখার অনেক উপকরনই এতে ছিলো। অনেক উপন্যাসই কিছুদূর পড়ে চরিত্রগুলোর সাথে এগিয়ে যাবার ইচ্ছে উবে যায়। কিন্তু গন্দমের চরিত্রগুলো যেন খাটি জীবন্ত। ঢাকার রাস্তায় বেরুলেই যেন এদের সাথে আমার দেখা হয়ে যায়। একজন লেখক তখনই সফল হোন যখন তার আঁকা চরিত্রগুলো পাঠকের মনে ছাপ ফেলতে পারে। অমিত আহমেদ সেদিক দিয়ে সম্পূর্ন সফল..."
সুভদ্রা রায়
৩০ মার্চ ২০০৮
"...A heartfelt congratulations for writing such an amazing book. Your writing has a rare quality of keeping the reader pinned to the plot and the characters. In a word, it was unputdownable. A good read, undoubtedly. Keep up the good work. I am looking forward to your next creation. However, what disturbed me were the female characters. Right from Ritu to Trina to Naureen to Ishita to Subhadra to even a glimpse of Deepa...I felt that they were shown in a very weak light. This is a male-centric book, written visibly by a male writer for a male readership. Why do the women lack so much agency?..."
এই আমি মীরা
ক্র্যা-এ-এ-এ-এ-ম্ড, সামহোয়্যার ইন, ৩১ মার্চ ২০০৮
"...পরদিন আরেকটা আশ্চর্য্যজনক কান্ড ঘটলো। স্কুল থেকে আসার পর আমাকে বলা হলো আমার জন্য "গন্দম" পাঠানো হয়েছে। চিক-ফ্লিকের ব্লন্ড মেয়েদের মতো দু'মিনিট আ-আ-আ-ও-মাহ-গড করলাম। দু'দিন পর ইকোনমিকস পরীক্ষা, তো? রাতে পড়তে পড়তে ঘুমালাম ও সকালে পড়তে পড়তে উঠলাম। বারো ঘন্টায় নাওয়া-খাওয়া ও বাকি সবকিছুর পাশাপাশি বই শেষ, শুধু পড়াশুনাটাই হলো না (বই শেষ করে আবারও আ-আ)..."
ক্যামেলিয়া আলম
মন্তব্য: অন্তর্জালে 'গন্দম' গোয়ার্তুমির ব্লগস্পট লিংক, সচলায়তন, ৬ এপ্রিল ২০০৮
"...বাংলা একাডেমীর মেলা থেকে কিনে নিলেও পড়লাম গতকাল ৫এপ্রিল। আমার বিকেলের এক কাজের সময় দেরী করিয়ে দিল বইটি। বহুদিন আগে বালিকার চন্দ্রযান-এর মধ্য দিয়ে নব্য অধুনা জাতির স্পর্শে আসতে পেরেছিলাম। মধ্যমানের জীবনযাত্রার কারণে কখনই ঐ জীবন জানতে পারিনি। কানকথা শুনেছি। গন্দম সেই স্পর্শের স্বাদ দিতে পেরেছে। অনেককাল পরে হলেও অভিনন্দন। সত্যিই ভাল লেগেছে। মনে হয়েছে বাংলাদেশের নব্য লেখকেরাও তো চমৎকার লেখে। চমৎকার, শুধু শেষটুকু ছাড়া। একেবারেই তাড়াহুড়া করে শেষ হয়েছে। হয়তো সত্যি না - কিন্তু পাঠক হিসেবে মনে হয়েছে। সবগুলো চরিত্রের পরের জীবন নিয়ে জানতে চরম আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করছি। অনেকদিন পর বাংলাদেশী লেখকের ভাল একটা বই পড়লাম।"
অছ্যুৎ বলাই
অলস মস্তিষ্কের শাস্তি, সচলায়তন, ১১ মে ২০০৮
দিন-তারিখ-সময় মেলানোর অতি সাবধানী অমিত যে শুধু ঔপন্যাসিকই নয়; বরং একজন কম্পু বিজ্ঞানী তা টের পাই। এত হিসাব করে কি সাহিত্য হয়? দেয়ালে বন্দুক ঝুলানো দেখালে সেই বন্দুকের ব্যবহার দেখাতেই হবে, আমি এ মতের ফ্যান না। আমাদের চারপাশে আমরা এত না দেখার ফাঁক-ফোঁকরে কত কিছুই তো দেখি। তার কত ভগ্নাংশের মুখোমুখিই বা হই অন্য সময়ে? চলমান জীবনে বোমারু বিমানরা আসে, বন্দুকেরা তো হারিয়েই যায় প্রায়শঃ, যদিও সেই দেয়ালে ঝোলানো বন্দুকটা সময়ের সেই ক্যানভাসে যথেষ্ট জ্বলজ্বলেই ছিলো। এত হিসাব করে আমি লিখতে চাই না। তবে এর যতোটা ড্যাম কেয়ার ফিলোসফি, ঠিক ততোটাই হয়তো লেখক হিসেবে আমার অপারগতা। অনুভূতিকে ভাষায়, ভাষাকে অক্ষরে রূপান্তরের প্রক্রিয়াটা আমি সার্থকভাবে করতে পারি না। অমিত, শিমুলদের সেই সমস্যা নেই। তারা এত হিসেবের মাঝেও গতি ধরে রাখে, মাঁকড়সার মত সাবলীলভাবে বুনে যাওয়া নেটের সুঁতোগুলোও একই বিন্দুতে এসে চমৎকার মিলে যায়। অমিত আহমেদের চুলচেরা হিসেব-নিকেশের "গন্দম" তাই পাঠক হিসেবে আমাকে গল্পের নৌকোয় ভাসিয়ে নিয়ে যায়, এত চমৎকার সাবলীলতায় হিসেবের কথাটা হিসেবে আসে না আর।
অদিতি ফাল্গুন, ১২ মে ২০০৮
"তরুণ লেখকদের বই", দৈনিক যায় যায় দিন
রিপোর্ট আর অনলাইনে নেই। আগেই সেভ করে রাখা দরকার ছিলো!
অনিন্দিতা চৌধুরী
মন্তব্য: শুভ জন্মদিন- প্রিয় লেখক, সচলায়তন, ৭ জানুয়ারি ২০০৯
"গন্দম ই একজন নবীন লেখকের সেই বই যেটা বাসায় আমি আমার আম্মা, আব্বা সবাই খুব আগ্রহ নিয়ে পড়েছি।
সচলায়তনে ই এর শুরু হয়েছিল। তখনই এর টান টান ভাবটা টের পেয়েছিলাম। শেষ পর্যন্ত অনেক ঝামেলা করে জোগাড় করে পড়েছি।..."
অন্যান্য
টেলিভিশন
» চ্যানেল আই, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০০৮, নতুন বই এর খবর।
» চ্যানেল আই, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০০৮, লুৎফর রহমান রিটনের সাথে সরাসরি সাক্ষাতকার।
» চ্যানেল আই, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০০৮, লুৎফর রহমান রিটনের সাথে সরাসরি সাক্ষাতকার।
» একুশে টিভি, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০০৮, "গন্দম" এর উল্লেখযোগ্য অংশ পাঠ।
রেডিও
» রেডিও ফুর্তি, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০০৮, স্পেশাল শো



0 টি মন্তব্য:
Post a Comment