নানান ভুল ধারণা পুষে রাখা আমার স্বভাব। এর একটি বড় অংশই নিজেকে নিয়ে। যেমন, ধারণা ছিলো কাজের চাপ সে যতোই হোক না কেনো, আমি সামলাতে পারি।
আমার ব্যক্তিগত রেকর্ড তিনদিন টানা কাজ করা। তিনদিন বলতে শুধু দিন বোঝাচ্ছি না, রাতও, মোট ৭২ ঘন্টা। মাঝে অবশ্য কফি ও নিকোটিন বিরতিগুলো বাদ যাবে।
যারা এভাবে কাজ করেননি তাদের বলি, ব্যাপারটি শুনতে যতোটা কঠিন মনে হচ্ছে আসলে ততোটা না। ৩৬ ঘন্টা কাজ করার পর শরীরে "তোর মায়রে বাপ" টাইপ একটি ভাব আসে। ঘুম থাকে না ধারে কাছে। ৬০ ঘন্টা পর কাজের গতি ঝুলে যায়। এক ঘন্টার কাজ করতে দুই ঘন্টা লাগে। ক্ষুধা একদমই থাকে না। মাথায় চিনচিনে একটি শব্দ স্থায়ী হয়ে যায়। কেউ জোরে কথা বললে ইচ্ছে করে বাম কানের নিচে কষে একটা থাবড়া লাগাই। এছাড়া কোনো ক্ষতিবৃদ্ধি নেই।
একদম প্রথমবারের কথা মনে আছে। তখন স্নাতক তৃতীয়বর্ষে পড়ি। এক টার্মে সাতটা কোর্স নিয়ে ছ্যাড়াবেড়া অবস্থা। সাথে আবার প্রোজেক্টও আছে। টানা তিনদিন কাজ করে চতুর্থদিন সকালবেলা গেছি পাঠাগারে। দুপুর বারোটায় পরীক্ষা। ইচ্ছে কিছুক্ষণ কাজ করে সোজা পরীক্ষা হলে চলে যাবো। সেই ভেবে একটি কাউচে বসতে না বসতেই ঘুমিয়ে পড়লাম! ঘুম ভাঙলো পরীক্ষা শুরু হবার এক ঘন্টা পর। ভাগ্য ভালো পরীক্ষা ছিলো তিন ঘন্টার, আর পরীক্ষা হলে দৌড়ে যেতে সময় লাগতো পাঁচ মিনিট।
সেই থেকে না ঘুমিয়ে কাজ করে যাওয়াটা নিত্যনৈমিত্তিকই হচ্ছে। ভুল ধারণার সূত্রপাত সেই থেকেই।
তবে যে জিনিসটি আমার নজর এড়িয়ে গিয়েছিলো সেটি হলো আমার কাজ করার প্রাথমিক গতি আসলে সরলরৈখিক। যখন পড়ছি তখন পড়া নিয়েই ব্যস্ত থেকেছি। যখন অন্য কাজ করেছি তখন সেই কাজই করে গেছি। নানান ধরনের কাজ মিলিয়ে-গুলিয়ে কখনো একাকার হয়ে যায়নি। যখন গেলো তখন বুঝলাম, আমি এর জন্য মোটেও প্রস্তুত নই!
আমার ব্যক্তিগত রেকর্ড তিনদিন টানা কাজ করা। তিনদিন বলতে শুধু দিন বোঝাচ্ছি না, রাতও, মোট ৭২ ঘন্টা। মাঝে অবশ্য কফি ও নিকোটিন বিরতিগুলো বাদ যাবে।
যারা এভাবে কাজ করেননি তাদের বলি, ব্যাপারটি শুনতে যতোটা কঠিন মনে হচ্ছে আসলে ততোটা না। ৩৬ ঘন্টা কাজ করার পর শরীরে "তোর মায়রে বাপ" টাইপ একটি ভাব আসে। ঘুম থাকে না ধারে কাছে। ৬০ ঘন্টা পর কাজের গতি ঝুলে যায়। এক ঘন্টার কাজ করতে দুই ঘন্টা লাগে। ক্ষুধা একদমই থাকে না। মাথায় চিনচিনে একটি শব্দ স্থায়ী হয়ে যায়। কেউ জোরে কথা বললে ইচ্ছে করে বাম কানের নিচে কষে একটা থাবড়া লাগাই। এছাড়া কোনো ক্ষতিবৃদ্ধি নেই।
একদম প্রথমবারের কথা মনে আছে। তখন স্নাতক তৃতীয়বর্ষে পড়ি। এক টার্মে সাতটা কোর্স নিয়ে ছ্যাড়াবেড়া অবস্থা। সাথে আবার প্রোজেক্টও আছে। টানা তিনদিন কাজ করে চতুর্থদিন সকালবেলা গেছি পাঠাগারে। দুপুর বারোটায় পরীক্ষা। ইচ্ছে কিছুক্ষণ কাজ করে সোজা পরীক্ষা হলে চলে যাবো। সেই ভেবে একটি কাউচে বসতে না বসতেই ঘুমিয়ে পড়লাম! ঘুম ভাঙলো পরীক্ষা শুরু হবার এক ঘন্টা পর। ভাগ্য ভালো পরীক্ষা ছিলো তিন ঘন্টার, আর পরীক্ষা হলে দৌড়ে যেতে সময় লাগতো পাঁচ মিনিট।
সেই থেকে না ঘুমিয়ে কাজ করে যাওয়াটা নিত্যনৈমিত্তিকই হচ্ছে। ভুল ধারণার সূত্রপাত সেই থেকেই।
তবে যে জিনিসটি আমার নজর এড়িয়ে গিয়েছিলো সেটি হলো আমার কাজ করার প্রাথমিক গতি আসলে সরলরৈখিক। যখন পড়ছি তখন পড়া নিয়েই ব্যস্ত থেকেছি। যখন অন্য কাজ করেছি তখন সেই কাজই করে গেছি। নানান ধরনের কাজ মিলিয়ে-গুলিয়ে কখনো একাকার হয়ে যায়নি। যখন গেলো তখন বুঝলাম, আমি এর জন্য মোটেও প্রস্তুত নই!